পূর্ব রেলের তরফে তৎকাল টিকিট বুকিং এর ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম কার্যকর করা হলো। এখন থেকে তৎকাল টিকিট বুকিং করতে কোন কোন নিয়ম মানতে হবে? কেন নতুন নিয়ম কার্যকর করা হলো? এই সকল বিষয়ে জানতে প্রতিবেদনটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
নতুন নিয়ম কার্যকর করার কারণ ও সুবিধা :-
ভারতীয় রেল রেল যাত্রীদের জন্য একটি অন্যতম যাতায়াতের মাধ্যম। অনেক স্বল্প মূল্যে আরামদায়ক যাতায়াতের মাধ্যম হলো এই রেল। তবে রেলের টিকিট বুকিং করা নিয়ে রেল কর্তৃপক্ষ মাঝেমধ্যেই অনেক নতুন নিয়ম জারি করে। তেমনি সম্প্রতি কিছু নতুন নিয়ম আনা হয়েছে যাতে যাত্রী সুরক্ষা আরোও বজায় থাকে। অনেক সময় দেখা যায় তৎকালীন টিকিট বুকিং এর ক্ষেত্রে দালালের আধিক্য। এই দালালরা বেশি টাকা নিয়ে একসঙ্গে অনেকগুলো টিকিট আগাম বুকিং করে নেয়, যার ফলে অন্যান্য যাত্রীরা টিকিট পায় না বা বেশি টাকা দিয়ে টিকিট বুকিং করতে হয়। মূলত এই টিকিট বুকিং এর ক্ষেত্রে দালাল চক্র বন্ধ করতেই অভিনব পদক্ষেপ নিলো রেল।
টিকিট বুকিং নতুন নিয়ম:- এখন থেকে তৎকাল টিকিট বুকিং করতে হলে আধার ভিত্তিক ওটিপি যাচাই করে তবে টিকিট বুকিং করতে পারবেন রেলযাত্রীরা। বিশেষ করে এই নিয়মে কড়াকড়ি আনতে চলেছে পূর্ব রেলের মালদহ ডিভিশন।
পূর্ব রেলের মালদহ ডিভিশন এই মুহূর্তে ছয়টি এক্সপ্রেস ট্রেনের জন্য এই নিয়ম কার্যকর করেছে। এই ট্রেন গুলি হল:- ১২২৫৪ ভাগলপুর-এসএমভিটি বেঙ্গালুরু অঙ্গ এক্সপ্রেস, ১২৩৬৭ ভাগলপুর-আনন্দ বিহার টার্মিনাল বিক্রমশীলা এক্সপ্রেস, ১২৩৩৫ ভাগলপুর-লোকমান্য তিলক এসএফ এক্সপ্রেস, ২২৯৪৮ ভাগলপুর-সুরাট এক্সপ্রেস, ১২৩৪৫ সরাইঘাট এক্সপ্রেস, ১২৩৪৩ দার্জিলিং মেল।
তৎকাল টিকিট বুকিং এর ক্ষেত্রে আধার ভিত্তিক ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে এর ফলে দালাল চক্রের তৎকালীন টিকিট বুকিং এর অপব্যবহার অনেকটাই কমবে। প্রকৃত রেল যাত্রীরা ন্যায্য মূল্যে টিকিট বুকিং করতে পারবেন। টিকিট বুকিং এর ক্ষেত্রেও ডিজিটাল পরিষেবাকে উন্নত করার জন্য এবং জনসাধারণের রেলযাত্রাকে সহজ করার জন্যই এই অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে পূর্ব রেলের মালদহ ডিভিশন।
